বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

বাংলাদেশের কৃষি পরিচিতি ও উৎপাদনের মূলনীতি (ইউনিট-১)

★কৃষি শব্দটি ইংরেজি শব্দ হচ্ছে  Agriculture। আর এ Agriculture শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Ager অর্থ Field অর্থ্যাৎ ভূমি ও cultura অর্থ cultivation অর্থাৎ আবাদ শব্দ হতে। অতএব কৃষি বলতে জমি কর্ষণ করে ফসলের আবাদ করাকে বুঝায়।
★কৃষির প্রধান শাখা হলোঃ১.ফসল চাষ ২.কৃষি প্রকৌশল ৩.কৃষি অর্থনীতি ৪.পশু পাখি পালন ৫.মৎস্য চাষ ৬.বনায়ন
★একক খাত হিসেবে সবচেয়ে বেশি অবদান কৃষি খাতের
★বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৮ সালে ঢাকায়।
★কৃষি গবেষণা পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৩৮ সালে।
★পাট ও ইক্ষু উন্নয়নের জন্য পাট ও ইক্ষু গবেষণা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালে।
★বন গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে।
★কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৭ সালে।
★চা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে।
★আনবিক শক্তি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে।
★বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে।
★ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।
★১৯৮২ সালে ছয়টি একক ফসলের উন্নয়ন সংস্থা কে একত্রিত করে DAE সৃষ্টি করা হয়।
★বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চল  ৩০টি।
★পুরাতন ব্রম্মপুত্র প্লাবন ভূমি অঞ্চলের উপ অঞ্চল  ৪ টি।
★মধুপুর অঞ্চলের উপ অঞ্চল ৬টি।
★উপ অঞ্চল  নাই আখাউড়া সোপান অঞ্চলের।
★বাংলাদেশ মূলত একটি ব-দ্বীব।
★ভূমির অবস্থা ও গঠনকাল অনুযায়ী বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে ৩টি প্রধান বিভাগে ভাগ করা হয়েছে ঃ
১.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়িয়া অঞ্চল
২.পাইষ্টোসিন যুগের উচ্চ ভূমি অঞ্চল
৩.সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল।
★বাংলাদেশ ক্রান্তিয় অঞ্চলে অবস্থিত।
★মৌসুমি জলবায়ু সাধারণ বৈশিষ্ট্য—বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর তারতম্য তবে কোন ঋতুতেই চমরভাবাপন্ন নয়।
★বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে —কর্কট ক্রান্তি রেখা। তাই এ দেশ ক্রান্তিয় অঞ্চলে  অবস্থিত।
★জলবায়ু গঠনের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ৬ টি জলবায়ু অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১.ক্রান্তিয় সামুদ্রিক জলবায়ু অঞ্চল
২.ক্রান্তিয় আদ্র জলবায়ু অঞ্চল
৩.ক্রান্তিয় বৃষ্টিবহুল অঞ্চল
৪.ক্রান্তিয় প্রায় আদ্র জলবায়ু অঞ্চল
৫.উপক্রান্তিয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চল
৬. উপক্রান্তিয় আদ্র জলবায়ু অঞ্চল
★কোন নির্দিষ্ট স্থানের নির্দিষ্ট সময়ের বায়ুমন্ডলের অবস্তাকে সেই স্থানের এবং সেই সময়ের আবহাওয়া বলে।যেমন-শুষ্ক,ঝড়ো,শান্ত,মেঘলা ইত্যাদি।
★কোন স্থানের আবহাওয়ার ৩০-৩৫ বৎসরের বা তার বেশি বৎসরের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
★চাষকৃত শস্যের ফলন আবহাওয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
★দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হলে তাপমাত্রা ও বেশি হয়।
★আবহাওয়া ও জলবায়ু কে প্রভাবিত করে এমন প্রধান উপাদান হল ৭টি।যেমন-তাপমাত্রা, বায়ুর গতি,বৃষ্টিপাত,বায়ুর চাপ,বায়ুর আদ্রতা,দিনের দৈর্ঘ্য,সূর্যরশ্মি।
★বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টিপাত বেশি হলে তাপমাত্রা কমে যায়।
★কৃষি তথা ফসল উৎপাদনের ওপর জলবায়ুর প্রভাব-সম্পূর্ণ ভাব্দ জলবায়ুর ওপর নির্ভশীল।
★তৃণভূমি গড়ে উঠে সারা বৎসর অল্প বৃষ্টিপাত হয় এরূপ অঞ্চলে।
★বনবনভূমি গড়ে উঠতে দরকার উষ্ণ তাপমাত্রা ও প্রচুর বৃষটিপাত।
★দূর্যোগ হল স্বাভাবিক জনজীবনে বিপর্যয় যাহা প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্টি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন